বিজ্ঞাপন

সারা বছর ধরেই চলে লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীর ভাঙন। এবারের মৌসুমে সেটি ভয়াবহ রূপ নেয়। দুই উপজেলার অনেক হাটবাজার, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ জনপদ বিলীন হয়ে গেছে। আরও কিছু ঝুঁকির মুখে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তর নানা উন্নয়ন প্রকল্পে রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক স্থাপনা তৈরি করে গেছে। যার পেছনে খরচ হয়েছে সরকারের বিপুল বরাদ্দ। কিন্তু সবকিছুর আগে সেখানে প্রয়োজন ছিল একটি বাঁধের। সেটি থাকলে জনপদসহ সরকারি-বেসরকারি সব স্থাপনা রক্ষা পেত। অপরিকল্পিত ও সমন্বয়হীন উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ভুগতে হচ্ছে দুই উপজেলার মানুষকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ‘রামগতি ও কমলনগরের মেঘনা তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। আগামী শুকনো মৌসুমে কাজ শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী।’ তবে প্রথম আলোর প্রতিনিধি জানালেন, বাঁধ পেতে পেতে সেখানকার মানুষ আরও দুই বর্ষা মৌসুম নদীভাঙনের শিকার হতে পারে। আমরা আশা করব, সব ধরনের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হবে। একটি টেকসই বাঁধের মাধ্যমে ওই এলাকার নদীভাঙন রোধ পাবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন