বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

থানাহাজতে অল্প সময়ের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের রাখা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে অপরাধী না–ও হতে পারেন। তবে কাউকেই ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত হাজতে রাখার বিধান নেই। কারণ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে তোলার বাধ্যবাধকতা আছে। এই অল্প সময়ে অভিযুক্তরা হাজতে নয় পাঠাগারে আছেন, এমন উপলব্ধি তৈরি হবে, তাঁদের মনোজগতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাঠাগার ছাড়াও হাজতে শোয়ার ব্যবস্থা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আছে আধুনিক একটি শৌচাগারও। শিশুদের জন্য চকলেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের কাউন্সেলিংও করা হয় এখানে। থানা কর্মকর্তার ভাষ্য, গত এক বছরে থানার চিত্রই বদলে গেছে। কোনো সেবাপ্রার্থী যেন মনঃক্ষুণ্ন না হন, সেদিকে এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবকাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর ঘটনা প্রায়ই খবর হয়। ফলে হাজতবাস অনেক মানুষের জন্য রীতিমতো দুঃস্বপ্নের মতো। এর মধ্যে আছে শোয়ার ব্যবস্থা ও শৌচাগার নিয়ে অবর্ণনীয় অব্যবস্থাপনা। হাজতখানার শৌচাগারের দুঃসহ পরিবেশই যেন প্রথাসিদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে কমলাপুর রেলওয়ে থানা ভিন্ন এক নজির রাখল। গোটা দেশের হাজতখানাগুলোতে এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন