বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরবর্তীকালে মুহিত বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, সিলেট-১ আসন থেকে দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর বড় সাফল্য হলো তাঁর আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার কয়েক গুণ বেড়েছে। তঁার আমলে উল্লেখযোগ্য হারে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বেড়েছে, অর্থনীতির ভিত সুদৃঢ় হয়েছে। আবার ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা কমাতে না পারা, শেয়ারবাজারে ধস থামাতে না পারা নিয়ে তাঁর আক্ষেপও ছিল।

আবুল মাল আবদুল মুহিতের জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। মন্ত্রিত্ব, সরকারি-বেসরকারি পদের বাইরেও তিনি সামাজিক দায়বোধ থেকে অনেক কিছু করেছেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। যেখানেই থাকুন না কেন, আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে সদা যুক্ত রেখেছেন। শেষ জীবনে তিনি রাজনীতির মানুষ হয়েও দলীয় সংকীর্ণতাকে প্রশ্রয় দিতেন না।

আবুল মাল আবদুল মুহিতের বিদায় আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনার, শোকের। প্রথম আলোর সঙ্গে তাঁর নৈকট্য ছিল নিবিড় ও গভীর। তাঁর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। বর্ণিল জীবনের অধিকারী এই মানুষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তিনি বেঁচে থাকবেন তাঁর কীর্তিতে, তঁার সাধনায়।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন