বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তারপর কেন্দ্রীয় ঔষধাগার ৮ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে এক চিঠিতে চিকিৎসা উপকরণ ও সরঞ্জামের মজুতের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করে। সরকারি ক্রয়বিধির সব বিধিবিধান অনুসরণ করে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ক্রয় সম্পাদন করে পণ্য সরবরাহ পেতে ন্যূনতম তিন মাস লেগে যায়; এমনকি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনাকাটা করলেও সরবরাহ পেতে এক থেকে দেড় মাস লাগে। কেন্দ্রীয় ঔষধাগার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিটির অনুলিপি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও পাঠিয়েছিল। তারপর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিকিৎসাসামগ্রীর চাহিদাপত্র পাঠানোর তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাড়াহুড়ো করে একটি ক্রয় প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পাঠায়। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ক্রয়প্রস্তাবটি অপূর্ণাঙ্গ এবং সে কারণে অগ্রহণযোগ্য। ফলে তাদের আবারও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে।

চিঠি চালাচালির এই প্রক্রিয়া থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতির নাজুকতা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হচ্ছে, কিংবা আমাদের পক্ষে দুর্বোধ্য কোনো কারণে তারা এই জরুরি বিষয়টির প্রতি যথাসময়ে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। এখন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক যেমনটি আশঙ্কা করছেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ক্রয়প্রস্তাব পাঠাতে দেরি করায় আমরা সুরক্ষাসামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জামের দিক থেকে বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারি।’

কিন্তু কোনোভাবেই যেন তেমন সংকট সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও একান্ত জরুরি। কারণ, জবাবদিহির অভাবেই অতীতে নানা ধরনের সমস্যা-সংকটে পড়তে হয়েছে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন