বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় এই জায়গায় পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ওই ক্যাম্প এলাকা ঘিরে কিছু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া হয়। এরই একপর্যায়ে তরুণেরা ওই এলাকায় গ্রন্থাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া সাড়ে তিন কোটি টাকার অনুদানে সেখানেই এই ভবন গড়ে উঠেছে।

যেহেতু গ্রন্থ সংস্কৃতির সঙ্গে শিক্ষা-অনুশীলন-পরিশীলনের সম্পর্ক গভীর, সেহেতু শুধু গ্রন্থ থাকলেই সেটিকে আর আধুনিক সভ্যতায় গ্রন্থাগার বলা কঠিন। তার জন্য বইয়ের সঙ্গে শারীরিক-মানসিক বিকাশের অনুষঙ্গ থাকা জরুরি। সেই বিবেচনায় রাজশাহীর এই গ্রন্থাগারকে সারা দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। প্রতিটি জেলায় যদি এই ধরনের একটি গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়, তাহলে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম প্রকৃতপ্রস্তাবে পাঠমনস্ক হয়ে উঠবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন