বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, ঘিওর সদর থেকে দৌলতপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়ক। ২০১৪ সালের বন্যায় সড়কটির ঘিওরের কুস্তা এলাকায় প্রায় ৪০০ মিটার এবং দৌলতপুর উপজেলার চর খলসি এলাকায় প্রায় ৩০০ মিটার অংশ পাশের ধলেশ্বরী নদীতে ধসে যায়। এ সড়ক দিয়ে ঘিওর ও দৌলতপুর—এ দুই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। দীর্ঘ সাত বছরে ধসে যাওয়া এ সামান্য অংশ মেরামত না করায় এসব মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শুধু চলাচলে নয়, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, ধান, ভুট্টা, শর্ষেসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পরিবহনেও ভোগান্তিতে রয়েছেন কৃষকেরা। স্কুল-কলেজে যাতায়াতে শিক্ষার্থীদেরও বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিতে দুর্ভোগে পড়তে হয়। আর কত বছর পার হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন সড়কটি সংস্কার হবে, আমরা জানতে চাই। ঘিওরের ইউএনওর আশ্বাস যেন আশ্বাসেই না থেকে যায়।

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ীতে কাবিটার তিনটি প্রকল্পের কাজ না করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে নিয়েছেন সেখানকার ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান। গত জুনে প্রকল্পগুলোর অধীনে তিনটি রাস্তা সংস্কারের কাজ সমাপ্ত দেখানো হয়েছে। যদিও সেখানে কোনো কাজ হয়নি। কাবিটা প্রকল্পের আওতায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি হিসেবে এখানে শ্রমিকদের কাজ করার কথা ছিল। কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করায় দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষেরাও বঞ্চিত হলেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জানালেন, তাঁর পক্ষে সব প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখা সম্ভব হয় না। তাঁর এমন বক্তব্য দুঃখজনক। চেয়ারম্যানকে দিয়ে কাজ করে নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করা হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন