বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইনানুসারে চায়না দুয়ারি নিষিদ্ধ হলেও নিষিদ্ধ জালের তালিকায় এর উল্লেখ নেই। আইনের সেই ফাঁকের সুযোগটিই অনেক জেলে নিচ্ছেন। নৌ পুলিশ ও মৎস্য অফিস ঝামেলা করলে তাদেরও ‘ম্যানেজ’ করছেন জেলেরা। জেলেদের ভাষ্য, অল্প পুঁজিতে চায়না দুয়ারিতে অনেক মাছ পাওয়া যায়। তাই এটির প্রতি ঝুঁকছেন সবাই।

মৎস্য গবেষকেরা বলেন, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুই ধরনের ক্ষতি ডেকে আনছে চায়না দুয়ারি। এ জালে মাছের পোনা, ডিম পর্যন্ত উঠে আসে। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে যত মাছ ধরা পড়ে, তার সবই বাজারে চাহিদা থাকা মাছ নয়। সেগুলো জেলেরা ফেলে দেওয়ায় বেশির ভাগ সময় আর বাঁচে না। ফলে মাছগুলো আর বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। এর মধ্যে হয়তো অনেক মাছ আছে, যা বিপন্ন প্রজাতির। অনেক জলজ প্রাণীর পরিণতিও একই হয়।

মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, উন্মুক্ত জলাশয়ে জন্মানো প্রতিটি মাছকে একবার ডিম ছাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর সুযোগ দিতে হবে। তার আগে মাছের পোনা ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। চায়না দুয়ারি দিয়ে সেটিই ঘটছে। জেলেদের এ ব্যাপারে সতর্ক ও সচেতন করা হোক। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস করা হোক। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন