বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমাদের চিকিৎসকদের করোনা সুরক্ষার ব্যবস্থাটি দৃশ্যমানভাবে দুর্বলই রয়ে গেছে। যেসব চিকিৎসক কোভিড রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন শুধু তাঁরা নন, নন-কোভিড সব ধরনের রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকেরাও কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। কারণ, উপসর্গহীন সংক্রমিত মানুষেরা যখন বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন, তখন তাঁদের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। তাঁদের সুরক্ষার জন্য যে মানের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই), মাস্ক ইত্যাদি প্রয়োজন, তার ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষত বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে কর্মরত চিকিৎসকদের করোনা সুরক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। অনেক বেসরকারি হাসপাতাল তাদের চিকিৎসকদের জন্য এমনকি মাস্কেরও ব্যবস্থা করে না; চিকিৎসকেরা নিজেরাই মাস্ক কিনে ব্যবহার করেন।

সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতের সব চিকিৎসাকেন্দ্রে কোভিড ও নন-কোভিড সব ধরনের রোগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট লোকবলের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে মহামারির দ্বিতীয় ধাক্কায় অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসাব্যবস্থার অবনতি ঘটতে পারে। তার ফলে চিকিৎসার অভাবে রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। সে পরিস্থিতি কখনোই কাম্য হতে পারে না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন