বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, তাঁরা ভর্তির আবেদন বাড়ানোর ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। সার্ভারে চাপ পড়ায় কাজ ধীরগতির হয়ে গেছে। বাড়তি সময়ের মধ্যে সবাইকে সনদ বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। তবে জন্মসনদ নিয়ে জটিলতা সারা বছরই কমবেশি লেগে থাকে সেখানে। এ নিয়ে কম বিড়ম্বনায় পড়েন না নাগরিকেরা। আমরা এ অব্যবস্থাপনার শেষ দেখতে চাই।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বিয়ের নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, চাকরিতে নিয়োগ, ব্যাংক হিসাব খোলা, গ্যাস-পানি-টেলিফোন-বিদ্যুতের সংযোগ, ট্রেড লাইসেন্স, জমির নিবন্ধনসহ ১৬টি মৌলিক সেবা পেতে জন্মসনদ লাগে। অনেকে ঘুষ দিয়ে বা দালাল ধরেও সঠিক সময়ে জন্মসনদ পান না। ইউপি চেয়ারম্যান বা পৌরসভার মেয়ররা অনেক সময় এ বিষয়ে আন্তরিক হন না। সম্প্রতি যেমনটা আমরা দেখেছি কুয়াকাটা পৌরসভায়। সেখানকার মেয়র-কাউন্সিলররা গোটা কার্যালয় বন্ধ করে কয়েক দিনের আনন্দভ্রমণে যান এবং এতে জন্মসনদ পেতে ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি দুঃখজনক। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আমরা বলতে চাই, জন্মসনদ পেতে নাগরিকের ভোগান্তি দূর করুন। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্য সনদ পেতে কার্যকর ব্যবস্থা নিন।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন