বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টোনা খাল সেতুটি আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এ সেতু পার হয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ হাটবাজার, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালে যাতায়াত করেন। সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ার পরও ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটির নাজুক পরিস্থিতির ধারণা পাওয়া যায় স্থানীয় মুদিদোকানি আকবর আলী শেখের ভাষ্যে। তিনি বলেছেন, সেতুটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ার পরও সেটি দিয়ে দিনে ও রাতে মালবাহী গাড়িসহ যাত্রীবাহী ইজিবাইক, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। গাড়ি তো দূরের কথা, একসঙ্গে কয়েকজন হেঁটে গেলেও সেতুটি দুলতে থাকে।

সওজের পিরোজপুর কার্যালয় জেলার চারটি সড়ক এবং সড়কের ২৯টি সেতু ও ৪৭টি কালভার্ট নির্মাণের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে। সেখানে টোনা খালের ওপরের সেতুটিও রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে টোনা খালের সেতুটির স্থলে নতুন নির্মাণ করা হবে।

বাংলাদেশে সেতু কিংবা কালভার্ট ভেঙে পড়ার ঘটনা মাঝেমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে। এতে সম্পদহানি, এমনকি প্রাণহানিও হচ্ছে। আবার এ ক্ষেত্রে যোগাযোগের বিকল্প না থাকায় মানুষকে চরম দুর্ভোগও পোহাতে হয়। টোনা খাল সেতুটি এক বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে সওজ এবং সতর্কতা হিসেবে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। এখন প্রশ্ন হলো, ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার কত দিন পর সেতুটি প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। দুর্ঘটনা ঘটার পর উদ্যোগ নেওয়া হলে মানুষের ভোগান্তি কিংবা প্রাণহানির যে অপূরণীয় ক্ষতি ও ক্ষত, তা পূরণ হয় না। আমরা প্রত্যাশা করি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই টোনা খাল সেতুটি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন