বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষকেরা জানান, সার কারখানা থেকে যখন অ্যামোনিয়া গ্যাস ছেড়ে দেওয়া হয়, তখন বিদ্যালয় দুটির পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাসের কারণে শ্বাসকষ্ট হয়। সে সময় বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়। বছরে দুবার কারখানা থেকে গ্যাস ছেড়ে দেওয়া হয়। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এলাকাটির আরও চারটি বিদ্যালয়। দীর্ঘদিনের এ সমস্যা নিরসনে গত শনিবার খেলার মাঠে বর্জ্যপানির মধ্যে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থী-শিক্ষকেরা। প্রথম আলোর প্রতিনিধি ফোনে জানালেন, কারখানাটির বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে পাঁচটি গ্রাম ভুক্তভোগী। সেখানকার পুকুরে মাছ হয় না, গাছ মরে যায়, কোনো ফল হয় না, জমিতে ফসল হয় না। এ বছর ১ হাজার ১০০ বিঘার বেশি জমি অনাবাদি ছিল শুধু এ কারণে।

এ বিষয়ে যমুনা সার কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যামোনিয়া উৎপাদনের সময় কিছুটা গ্যাস বাইরে চলে যায়। এত বড় কারখানা, আশপাশে একটু ক্ষতি হবেই। গ্যাস শোধনাগারের জন্য লেগুন নির্মাণ করা হবে। ভূমি অধিগ্রহণ হলেই লেগুন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ১৯৯১ সালে কারখানাটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু এত বছরেও কেন গ্যাস ও বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণ করা হলো না? এর ফলে যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল, এর দায় কে নেবে? উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিগগিরই বিদ্যালয় মাঠ উঁচু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু বাদবাকি সমস্যাগুলোর নিরসনে কি কারও কিছু করার নেই?

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন