বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সড়কটি সম্প্রসারণ ও সড়ক দিয়ে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এলাকার মানুষ গত রোববার উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেছেন। দৈর্ঘ্য প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কটির কয়েকটি স্থানে ডান পাশে ৩ ফুট করে খুঁড়ে তার মধ্যে ইটের খোয়া ও বালু দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি জায়গায় সড়কের বাঁ পাশ খোঁড়া হয়েছে। অথচ সড়কের দুই পাশের বেশির ভাগ স্থানে সরকারি কোনো জায়গা নেই। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি, গাছপালা, বাড়ি, খেত ও কবরস্থান রয়েছে। সেগুলো দখল করে মারুফ হোসেন সরকারি সড়ক সম্প্রসারণ করছেন। কেউ বাধা দিতে গেলে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এলজিইডির কাছ থেকে সড়ক বড় করার অনুমতি নিয়ে এসেছেন বলে মারুফ হোসেন সেখানকার কাউকে বসতঘর, কাউকে কবরস্থান সরিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের চোখের সামনে এ দখলবাজি চললেও এ নিয়ে নীরবতা পালন করছেন তাঁরা। মারুফ হোসেনের সঙ্গে তঁাদের যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রকৌশলী বলেছেন, সড়ক সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ করতে গত সোমবার ব্যবসায়ী মারুফ হোসেনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এলজিইডি যশোরের নির্বাহী জানিয়েছেন, এলজিইডি জনগণের জন্য সড়ক নির্মাণ করে। সড়ক সম্প্রসারণে যদি জনগণের ক্ষতি হয় এবং জনগণ যদি না চায়, তবে তা করতে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন তাঁরা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন, সেটি দেখার অপেক্ষা।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন