বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচটি মামলা হয়েছে। দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া সংঘর্ষ ও বোমাবাজির ঘটনায় আলাদা দুটি মামলা করেছে পুলিশ। আরেকটি মামলা করেছেন সংঘর্ষের দিন ভাঙচুর হওয়া অ্যাম্বুলেন্সের মালিক। নাহিদ হত্যার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করার বিষয়টি স্বস্তিদায়ক। তবে আমরা আশা করব, সেদিন সংঘর্ষে অংশ নেওয়া হেলমেট বাহিনীর অন্যদের গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। নাহিদ হত্যাকাণ্ড ছাড়াও এ ঘটনার সঙ্গে চাঁদাবাজিসহ আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি যুক্ত। নিউমার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল এবং ঈদের আগে ওই অঞ্চলের ব্যবসা বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ছাত্র ও ব্যবসায়ীদের একটি চক্র এসব অপকর্মের জন্য দায়ী। যে দুই দোকানির বিতণ্ডা থেকে এ সংঘর্ষের সূচনা, সেই দুজনকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।

নাহিদ হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও ধরার উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা পুলিশের প্রতি সাধুবাদ জানাই। তবে এ–ও বলতে হয়, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পুলিশ প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখলে পরিস্থিতি এতটা খারাপ না–ও হতে পারত। দুটি পরিবারকে হয়তো হারাতে হতো না কর্মক্ষম দুজন ব্যক্তিকে। আশা করছি, যথাযথ তথ্যপ্রমাণসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন