বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম জানান, যখনই বাজারের তুলনায় সরকার বেশি দামে চাল কেনে, তখন একটি বিশেষ মহল অস্তিত্বহীন চালকলের নামে চাল সরবরাহ করে লাভবান হয়। অথচ বাজারে চালের দাম বেশি থাকলে এ তৎপরতা একেবারেই থাকে না। প্রথম আলোর প্রতিবেদক জানালেন, জেলা ও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া এমন অনিয়ম সম্ভব নয়। কারণ, তাঁরাই সরেজমিনে চালকলগুলো পরিদর্শন করেন, সেগুলো চাল সরবরাহে সক্ষমতার বিবিধ শর্ত পূরণ করে কি না, সেসব যাচাই–বাছাই করেন। কর্মকর্তাদের পাঠানো তালিকা থেকেই চালকলের নামে বরাদ্দ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় খাদ্য অধিদপ্তর।

অনিয়মের সঙ্গে চালকলমালিকদের একটি চক্র, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করে। অনেক সময় তাদের ঠিক করে দেওয়া চালকলের নাম তালিকায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রবীন্দ্রলাল চাকমা অনেকটা দায় এড়ানোর সুরে বলেন, তালিকা তৈরিতে কেউ অনিয়ম করেছে কি না, তাঁর জানা নেই। তবে ভবিষ্যতে তিনি নিজে যাচাই-বাছাই করার আশ্বাস দেন। জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, অনিয়ম থাকলে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরকে জানাবেন। তাঁরা অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরাও চাই অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া না হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন