বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ঝালকাঠি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়ের বাদামতলী খেয়াঘাট থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কিস্তাকাঠি আবাসন প্রকল্প পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার বাসন্ডা খালের ভাঙনের কবলে পড়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে খালের পাড়ের চার শতাধিক পরিবার। হুমকিতে আছে তিনটি লবণ উৎপাদনের কারখানা, দুটি মসজিদ ও পাকা স্থাপনা। স্বাভাবিক জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ছে বসতবাড়িতে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অতুল মাঝির খেয়াঘাট থেকে কিফাইত নগরের গাবখান সেতুর টোলঘর পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটারের পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরিস্থিতিও একই রকম। এই ওয়ার্ডের রামনগর বটতলা থেকে নেছারাবাদ মাদ্রাসা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পাকা সড়কের। কিন্তু সেটা সড়কের কঙ্কাল ছাড়া কিছু নয়। খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে বিটুমিনের কোনো অস্তিত্ব নেই। এ সড়কে মানুষের চলাচল করা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা ছবি দেখলেই বোঝা যায়।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বাসন্ডা খালে টেকসই বাঁধ নির্মাণ না করা গেলে দুর্ভোগ ও ভোগান্তি থেকে তাঁদের মুক্তি নেই। তাঁদের পৌর কর ঠিকই দিতে হচ্ছে, কিন্তু দৃশ্যমান উন্নয়ন থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

বাসন্ডা খালের পাঁচ কিলোমিটার অংশে বাঁধ দিয়ে সড়ক নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব দেওয়া আছে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হানিফ। তাঁর দাবি, বড় প্রকল্প বলে দাতা সংস্থা অর্থ দিতে রাজি হচ্ছে না। এ ছাড়া উপশহর প্রকল্পে বরাদ্দ না থাকায় সড়ক উন্নয়নের কাজ থেমে আছে।

ঝালকাঠি পৌরসভার ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে বাসন্ডা খালে বাঁধ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মূল শহরের উন্নয়ন হলেও কেন ওয়ার্ড দুটির উন্নয়ন হয়নি, সেটা বোধগম্য নয়। বিচ্ছিন্ন ওয়ার্ড দুটির উন্নয়নে কোনো বৈষম্য করা চলবে না। সেখানকার উন্নয়নে টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন