বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় জনপদ রক্ষায় এ বাঁধগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল ষাটের দশকে। বরগুনার প্রায় ৫০০ কিলোমিটারের মতো বাঁধ স্বল্প উচ্চতার। উচ্চ জোয়ারে মাটির এ বাঁধ উপচে পানি ঢুকে পড়ে। প্লাবিত করে জনবসতি ও ফসলের জমি। বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে ঘন ঘন আঘাত হানছে। বারবার আঘাতে দুর্বল হয়ে যাওয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অনেক জায়গাতেই ধসে পড়ছে।

পাউবো বরগুনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাউছার আলম জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৩ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কারের জন্য ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে পাউবোর প্রধান কার্যালয়ে প্রকল্প পাঠানো হলে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, চাহিদার তুলনায় এত কম বরাদ্দ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের কতটা ঠিকঠাকভাবে সংস্কার করা সম্ভব?

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু বরগুনার বিলীন হয়ে যাওয়া দুই কিলোমিটারসহ ঝুঁকিপূর্ণ ৩৩ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কারে আশু পদক্ষেপ নিতে হবে। জানমালের নিরাপত্তার কথা সবার আগে বিবেচনা করে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আগেই প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বরগুনা কার্যালয়ের পাঠানো প্রকল্প দ্রুত যাচাই করে পাউবোকে বাঁধ সংস্কারে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে, যাতে করে বর্ষা মৌসুমের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কার করা যায়।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন