বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হিমাগারগুলো বলছে, ১৫ নভেম্বর হিমাগারের সব কুলিং মেশিন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আলু নষ্ট হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। চুক্তির বিষয়টি ঠিক থাকলেও প্রতিবছর ঠিকই ডিসেম্বর পর্যন্ত আলু রাখে হিমাগারগুলো। মূলত আলু সংরক্ষণের ভাড়া বাড়াতে চাষিদের সঙ্গে এমন আচরণ করছেন হিমাগারমালিকেরা। এ বছর এসে মেশিন চালু রাখতে গেলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের কথা বলছেন তাঁরা, আগে যেটি হয়নি।

এ বছর আলুর ব্যাপক ফলন দেখে হিমাগারের মালিকেরা বাড়তি ভাড়া দাবি করেন। চাষি ও ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ জানালে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাড়া নিয়ে আন্দোলন করায় মালিকদের আক্রোশের শিকার হচ্ছেন তাঁরা। এমনটি হলে হিমাগারে সংরক্ষণ করা আলুবীজ নষ্ট হয়ে যাবে। এতে আগামী মৌসুমে আলুবীজের সংকটে আবাদ কম হবে। এতে হিমাগারের মালিকদেরই যে ক্ষতি, জেদের কারণে তা তঁারা বুঝতে চাইছেন না। ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক বলছেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমরা চাই করোনা পরিস্থিতির টানাপোড়েনের মধ্যে কোনোভাবেই যাতে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত করুক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন