বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, পুকুরটির মালিকানা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজউক বলছে, পুকুরটি তাদের অধিগ্রহণ করা জায়গায় পড়েছে। অন্যদিকে পুরোনো দলিল-দস্তাবেজের মাধ্যমে জলাশয়টির মালিকানা দাবি করে সেটি দখলে রেখেছেন এক ব্যক্তি। এমন পরিস্থিতিতে পুকুরটির সংরক্ষণে কিছুই করছে না রাজউক। ইতিমধ্যে পুকুরের চারপাশে ময়লা–আবর্জনা ফেলায় আংশিক ভরাট করে ফেলা হয়েছে। ভরাট হওয়া স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে দোকানপাট। সেখান থেকে প্রতি মাসে ভাড়াও তোলা হচ্ছে। পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষও করা হচ্ছে। এমনকি পুকুর ভরাট করে কাউন্সিলর কার্যালয়ও করা হয়েছে। সেখানকার সাবেক কাউন্সিলর সাইদুর রহমান (শহীদ কমিশনার, যিনি আবার বেশ কয়েকটি হত্যার ঘটনার মামলার আসামি) এবং তাঁর মেয়ে বর্তমান কাউন্সিলর সাহানা আক্তার এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। যদিও এমন অভিযোগ তাঁরা অস্বীকার করেছেন।

রাজউক বলছে, পুকুরটি রাজউকের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা পদক্ষেপ নেবে। জলাশয় আইন অনুযায়ীও কোনো পুকুর ভরাটের সুযোগ নেই। প্রয়োজনে এ আইন অনুযায়ী তারা পুকুরটি রক্ষার চেষ্টা করবে। আইনগত সুযোগ থাকলেও কেন দখলবাজি বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে না, সেটিই আমাদের প্রশ্ন।

২০১৫ সালেও প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে রাজউক বলেছিল, পুকুরটি সংস্কারের জন্য প্রায় এক কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। চারপাশে হাঁটার পথ নির্মাণ করা হবে। অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হবে। পুকুরটি আবারও গোসলের উপযোগী করে তোলা হবে। কিন্তু সেসব কথার কথাই থেকে গেছে। ডিআইটি পুকুরের মালিকানা জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করা হোক। পুকুরটিকে কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন