বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, বিলের বিশাল এলাকা আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় পৌরসভার পানিনিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব তো আছেই। আমনকুড়া বিল ছাড়িয়ে ময়লা-আবর্জনা সড়কও দখল করে নেয় অনেক সময়। ফলে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত মানেই রীতিমতো এক দুর্ভোগ। বর্জ্যের দুর্গন্ধের অত্যাচার সহ্য করা ছাড়া মানুষের আর কোনো উপায় থাকে না। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, আমনকুড়া বিলসংলগ্ন স্থানে জেলা ও দায়রা জজ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বাসভবন। এরপরেও বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে সেখানে। এ ছাড়া আশপাশেই পৌর পার্ক, পৌর ক্লাব, টেনিস ক্লাব, দুটি বিদ্যালয়, পৌর হকার্স মার্কেট, কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি অবস্থিত। এতেই বোঝা যাচ্ছে, কী পরিমাণ কষ্টে আছে মানুষ।

ময়লা-আবর্জনা সড়কের ওপরে জমে থাকায় অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি দুর্ঘটনাও ঘটে। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা-আবর্জনা নিয়ে এলে এখানে ফেলতে মানা করলেও তঁারা কোনো কথা শোনেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ব্যাপারে একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। পৌর মেয়র বলছেন, পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য ফেলার জন্য অন্যত্র একটি আধুনিক ডাম্পিং স্টেশনের নির্মাণকাজ চলছে। আগামী মে মাসের মধ্যে সেটির কাজ শেষ হবে। তারপর শহরের বর্জ্য সেখানে ফেলা হবে। আমরা তাঁর কথায় আস্থা রাখতে চাই। কিন্তু একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এমন উদ্যোগ নিতে দুই দশক পার হয়ে যাওয়াটাও দুঃখজনক। আমরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান করব, ডাম্পিং স্টেশন চালু হয়ে যাওয়ার সঙ্গে আমনকুড়া বিলটি পুনরুদ্ধার করা হবে। সেটি কোনো প্রকারের দখলবাজির শিকার হোক, তা আমরা চাই না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন