সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরে ঢাকা-সিলেট রেললাইন এবং শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন স্থান অনেক প্রশস্ত। অনেক প্রাণীর পক্ষে এক পাশের গাছ থেকে আরেক পাশের গাছে লাফ দিয়ে পারাপার সম্ভব হয় না। ফলে সড়ক ও রেলপথ দিয়ে পার হয়। বছরে শতাধিক বন্য প্রাণী সড়ক পার হতে গিয়ে মারা পড়ে।

বনসেতু তৈরির আগে সাতছড়িতে দুর্ঘটনায় বছরে গড়ে ১২টি পর্যন্ত বানরজাতীয় প্রাণীর মৃত্যু হতো। সেতু স্থাপনের পর এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনায় এ ধরনের কোনো প্রাণীর মৃত্যু হয়নি। সেখানে সাত প্রজাতির বানরজাতীয় প্রাণীর মধ্যে উল্লুক ও অসমিয়া বানর ছাড়া বাকি সব কটি প্রজাতি বনসেতু দিয়ে আসা-যাওয়া করে। এ ছাড়া গন্ধগোকুল, কাঠবিড়ালিসহ হাজারের বেশি প্রাণী সেতু পার হয়েছে।

প্রকল্পের সঙ্গে গবেষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বনসেতু বন্য প্রাণীর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ঠেকাতে অনেকটাই সফল। ফলে এ প্রকল্প সারা দেশের বন ও জাতীয় উদ্যানের ভেতরে যেখানে সড়ক ও রেলপথ আছে, সেখানে প্রয়োগ করা যেতে পারে। গবেষকদের দিয়ে বন্য প্রাণী চলাচলের রাস্তা চিহ্নিত করে সেসব স্থানে পর্যাপ্ত বনসেতু স্থাপন করুন। দুর্ঘটনায় বন্য প্রাণীর মৃত্যু ঠেকাতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন