বিজ্ঞাপন

বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। কিন্তু যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল, তখনো দেখা যেত অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক গরহাজির থাকতেন নানা অজুহাতে। আর শহিদুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ছয় বছর কোনো নৈমিত্তিক ছুটি না নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করেছেন। তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। প্রাথমিক সমাপনীতে ভালো ফল লাভের জন্য তিনি বিদ্যালয়ের সময়সূচির বাইরে বৈকালিক বা নৈশকালীন বিদ্যালয় চালু করেছেন। তাঁর এই বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় কেউ ফেল করে না; শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করে এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তিও পায়।

প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে দেশসেরা শিক্ষক হওয়ায় শহিদুল ইসলামকে আমরা অভিবাদন জানাই। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর এই প্রশংসনীয় কার্যক্রম অন্য শিক্ষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে, আশা করি। শিক্ষার আলোয় দেশকে আলোকিত করতে হলে এর প্রাথমিক ভিতটি অবশ্যই মজবুত করতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন