বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঈদযাত্রাকে ঘিরে রাস্তায় যানজটে আটকে পড়ে মানুষ, শিকার হতে হয় ভয়াবহ দুর্ভোগেরও। এবার আরও বেশি করুণ পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে আশার কথা হচ্ছে, সড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও অন্যান্য বারের মতো দীর্ঘ যানজটের শিকার হতে হয়নি মানুষকে। ট্রেনের টিকিট পাওয়া নিয়ে চরম বিড়ম্বনা তৈরি হলেও সূচি মেনেই কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে ট্রেনগুলো। গত শুক্রবার পর্যন্ত ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি। ফলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। যাত্রী বোঝাই করে সদরঘাট থেকে ছেড়েছে লঞ্চ। অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ায় কয়েকটি লঞ্চকে জরিমানাও করা হয়েছে। কালবৈশাখী মৌসুমে লঞ্চ চলাচলে কোনো ধরনের অনিয়মে ছাড় দেওয়া যাবে না। আশা করি, এ বিষয়ে সতর্ক থাকবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।

ঈদযাত্রা মানে শুধু বাড়ি ফেরা নয়, বাড়ি থেকে যঁার যাঁর অবস্থানে ফিরেও আসা। ফলে সব মানুষ পরিবার ও প্রিয় মানুষের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করে নিরাপদে ফিরে আসবেন, সেটিই আমরা কামনা করি। ঈদের ছুটিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। এতেই বোঝা যাচ্ছে, বিপুল মানুষ সারা দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করবেন। করোনায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন অর্থনীতির জন্য বড় সুখবর এটি।

ঈদুল ফিতর সমাজে যাবতীয় বৈষম্য দূর করার বার্তা দেয়। এর মাধ্যমে প্রকাশ পায় সর্বজনীনতা। ঈদ আমাদের সামষ্টিক জীবনে যে মিলন ও শুভবোধের চর্চার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, তা সঞ্চারিত হোক সবার প্রতিদিনের জীবনযাপনে। ঘুচে যাক মানুষে মানুষে দূরত্ব, বিভেদ ও বিভাজনের সম্পর্ক। নিছক আনুষ্ঠানিকতা বা আনন্দ উদ্‌যাপন নয়, ঈদ হোক জীবনকে নবায়ন করার আহ্বান। সবাইকে ঈদ মোবারক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন