বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গাইবান্ধার বালাসী ঘাটের নৌযানগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে রেলওয়ের মেরিন বিভাগ। ইতিমধ্যে পাঁচটি নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। অবশিষ্ট নৌযানগুলো বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে। নৌযানগুলো বিক্রি হলে বালাসী-বাহাদুরাবাদ নৌপথটি নৌযানশূন্য হয়ে পড়বে। এতে বিপুল ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো কোনো কাজেই আর আসবে না।

রেল যোগাযোগের পথ হিসেবে ১৯৩৮ সালে চালু হয়েছিল তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌরুট। পরে যানবাহন ও পণ্য পরিবহনেও এ ঘাট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ১৯৯০ সালে নাব্যতাসংকটের কারণে তিস্তামুখঘাটটি বালাসীতে সরিয়ে নেওয়া হয়। যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু হওয়ায় ধীরে ধীরে এ ঘাটের গুরুত্ব কমে আসে। ২০০০ সালে এ নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

রেলওয়ের ভাষ্য, নৌযানগুলো অকেজো হয়ে গেছে, সেগুলো আর তাদের দরকার নেই, সে জন্য বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সেখানকার নৌযানগুলোর অন্তত দুটি এখনো চালু আছে। বাকিগুলো সংস্কার করে সচল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে যে প্রশ্ন সামনে এসে যায় সেটি হলো, তাড়াহুড়া করে কেন লোহালক্কড় হিসেবে নৌযানগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে রেলওয়ে।

বালাসী-বাহাদুরাবাদ নৌপথটি সরকারের নৌ ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের মধ্যকার সমন্বয়হীনতা এবং সরকারের অর্থ ও সম্পত্তি অপচয়ের একটি বাজে দৃষ্টান্ত। নৌপথ যদি চালু করা না-ই যাবে, তাহলে ১৩৬ কোটি টাকা কেন অপচয় করা হলো?

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন