বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার ওয়াকওয়ে নির্মাণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। প্রথম ধাপে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৮০ ফুট দীর্ঘ ওয়াকওয়ে হচ্ছে। এই অংশে পড়েছে ২২টি গাছ। দুটি গাছ পড়েছে ওয়াকওয়ের মধ্যেই। সেগুলো অক্ষত রাখা হবে। আর বাকিগুলোকে রক্ষায় ওয়াকওয়ে কিছুটা বাঁকানো হয়েছে। এতে ওয়াকওয়ের পুরোটা বৃক্ষছায়ার মধ্যে পড়েছে। সিটি করপোরেশন জানায়, প্রকল্পের কাজ শুরুর আগে অপরিকল্পিতভাবে লাগানো গাছ কাটার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু গাছগুলো কাটা হলে ওয়াকওয়েতে কোনো ছায়া থাকবে না। যোগাযোগ করা হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের সঙ্গে। এলাকা পরিদর্শন করে স্থপতি শুভজিৎ চৌধুরী গাছগুলো বাঁচিয়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণের নতুন নকশা দেন। এই নকশাতেই তৈরি হচ্ছে এখন ওয়াকওয়ে।

এর আগে সিলেট সিটি করপোরেশনের অনেক উন্নয়ন প্রকল্পে বৃক্ষনিধন হয়েছে। এ নিয়ে নাগরিক প্রতিবাদও হয়েছে। ইচ্ছা থাকলে যে উপায় হয়, তারই একটি দৃষ্টান্ত এ ওয়াকওয়ে প্রকল্প। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এমনটাই জানাল। করোনাকালে অক্সিজেনের জন্য হাহাকারই আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে গাছের গুরুত্ব। প্রকল্পের নামে শুধু গাছ নয়, বন, নদী, জলাশয়ের ক্ষতি করা যাবে না। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনেক দেশে সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগকে মাথায় রেখে পরিবেশ সুরক্ষার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া হোক। অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হাজির করায় সিলেট সিটি করপোরেশনকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন