বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফেডারেশন অব টুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বলছে, অতিরিক্ত কক্ষভাড়া যেন আদায় না হয়, এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। যদিও তাদের কথার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক জানান, হোটেলে অতিরিক্ত কক্ষভাড়া এবং খাবারের বিপরীতে অতিরিক্ত টাকা আদায় যেন না হয়, তা দেখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০টির বেশি ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাঠে রয়েছে, অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অথচ রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিস্তর অভিযোগ বিস্তর। সাধারণ একটি রেস্টুরেন্টে শুধু ডাল-ভাতের দাম রাখা হচ্ছে ৪০০ টাকা। এক প্লেট ভাত ও আলুভর্তার দাম রাখা হচ্ছে ৩০০ টাকা। শহরের ভেতরে যানবাহনেও কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

কক্মবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে, এটি আনন্দের কথা। বেশি পর্যটক এলে পর্যটন ব্যবসারও প্রসার ঘটবে। তাই বলে সেবাদাতারা মানুষকে জিম্মি করতে পারেন না। ঘুরতে গিয়ে মানুষ এভাবে হয়রানির মুখে পড়ুক কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন