বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, ওয়াসা বলেছিল তারা নগরবাসীকে সুপেয় পানি নিশ্চিত করবে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা এটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই পানি পান করে পেটের পীড়াসহ নানা রোগে ভুগছে নগরবাসী। এই সময়ে পানির দাম বাড়ানো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। ওয়াসা এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে নগরবাসীকে নিয়ে তাঁরা আন্দোলনের ডাক দেবেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, রাজশাহী নগরের বাসিন্দাদের ফিল্টার পানি নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে পাস করেছেন। নদীর পানি বিশুদ্ধ করে তা সরবরাহ করা হবে। এটা এখনো চালু হয়নি। ওয়াসা যদি মনে করে, তারা পানির দাম বৃদ্ধি করে বিশুদ্ধ পানি দেবে; তাহলে হয়তো নগরবাসীর আপত্তি থাকত না। কিন্তু এখনকার পানি দিয়েই যদি বলে দাম তিন গুণ বাড়ালাম, এটা অযৌক্তিক ও দৃষ্টিকটু। ওয়াসার উচিত ছিল, গণশুনানির মাধ্যমে পানির দাম বাড়ানো।

করোনা–পরবর্তী ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এমন সিদ্ধান্তে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা। প্রথম আলোর প্রতিবেদক জানালেন, নগরবাসীর অনেকে সুপেয় পানির চাহিদা মেটাচ্ছেন নিজস্ব নলকূপ থেকে। নলকূপের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় সেখানকার ভূগর্ভের পানির স্তরও নিচে চলে যাচ্ছে। ওয়াসার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে আগামী মাসের শুরু থেকে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে, পানির মূল্য এখনো দেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে অনেক কম। ওয়াসা যেহেতু স্বায়ত্তশাসিত, সরকারের ওপর নির্ভর করে চলছে। এটাকে নিজের আয় দিয়ে চলার মতো সক্ষমতা অর্জন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন কথা হচ্ছে, সক্ষমতা অর্জনের দায় কেন নগরবাসীকে নিতে হবে, তা–ও সেবার মান না বাড়িয়েই। এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন