বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উন্নয়ন সংস্থাটি মোট ৬৫ জন নারীকে পাপোশ তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সবচেয়ে আশার কথা, ওই ৬৫ জনের কাছ থেকে কাজ শিখে দুই উপজেলার প্রায় এক হাজার নারী পাপোশ তৈরি করছেন। এ কাজে সম্পৃক্ত নারীরা বাজার থেকে সুতা কেনা থেকে শুরু করে সব কাজ নিজেরাই করেন। প্রান্তিক নারীর ক্ষমতায়নের এ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ঘরের কাজ শেষ করে অবসর সময়ে কিংবা কাজের ফাঁকে ফাঁকে পাপোশ তৈরির কাজ করতে পারেন তাঁরা। তাই আলাদা করে সময় বের করতে হয় না। একজন নারী দিনে তিন থেকে চারটি পাপোশ তৈরি করতে পারেন। সুতা কেনার খরচ বাদ দিয়ে প্রতিটি পাপোশ বিক্রি করে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা লাভ থাকে। এতে আয় হয় ১২০–১৮০ টাকা। এই হিসাবে প্রতি সপ্তাহে পাপোশ বিক্রি করে ন্যূনতম আয় হয় ৮৪০ টাকা। মাসে একজন নারীর তিন হাজার টাকার বেশি আয় হয়। বগুড়া ও সান্তাহার থেকে ব্যবসায়ীরা এসে তাঁদের কাছ থেকে পাপোশ কিনে নিয়ে যান।

পাপোশ তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীদের ভাগ্যবদলের এই দৃষ্টান্ত আশা জাগায়। নারীদের মধ্যে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীরা সবচেয়ে অবহেলিত। পাপোশ তৈরির কাজ তাঁদের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসারে শুধু সচ্ছলতা আনেনি, বাড়তি এ উপার্জন তাঁদের ক্ষমতায়নও বাড়িয়েছে। তবে শ্রমের মূল্য বিচারে তাঁরা যে মজুরি পান, সেটা কমই। সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে নজর দিতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন