বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ‘খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি’ নামের প্রকল্পটির জন্য ৯৭৩ কোটি টাকা সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছে ডিএসসিসি। প্রস্তাবিত প্রকল্পে ঢাকার চারটি খালের ১৩ হাজার ৪২০ টন বর্জ্য ও ২ লাখ ৫০ হাজার টন পলি অপসারণ করতে সরকারের কাছে ১০৮ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। অথচ গত জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জিরানী, মান্ডা, কালুনগর ও শ্যামপুর খাল থেকে ৮৭ হাজার ৪৬০ টন বর্জ্য ও প্রায় ৫ লাখ টন পলি অপসারণ করা হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে দেড় কোটি টাকা। এ ছাড়া খালের পাশে সড়কবাতি স্থাপন এবং সৌর প্যানেল স্থাপনের প্রকল্পেও যাচাই-বাছাই না করেই অনেক বেশি বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সংশোধিত প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেওয়ার পর পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় বাড়তি ব্যয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে প্রথম আলোর কাছে ওই প্রকৌশলী দাবি করেছেন, তাঁর বরাদ্দ প্রস্তাব ‘যৌক্তিক’।

উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় প্রস্তাবের এ ধরনের অসংগতি যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্টদের অবহেলা, ব্যর্থতা ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রকাশ পায়। এ ছাড়া বারবার সংশোধনের কারণে সময়মতো প্রকল্প পাস না হওয়ায় সেবাবঞ্চিত হন নাগরিকেরা। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রকল্প ফিরিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট নয়, সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। ঘরে বসে ইচ্ছেমতো প্রকল্প তৈরির এ প্রবণতা বন্ধ করতে হলে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন