বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল, জয়ধনা, ধানকুনিয়া, সোনামড়ল, ঘোড়াডোবা, রুই বিল, কাইলানী, গুরমা, গুরমার বর্ধিতাংশ—এই ৯টি হাওর সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীন। এসব হাওরে ১৫৭টি প্রকল্প আছে। এর মধ্যে গুরমা হাওরের আওরজান ফসল রক্ষা বাঁধের দৈর্ঘ্য সাড়ে ছয় কিলোমিটার। গত বছর এ বাঁধের পুরো অংশে কাজ হলেও এ বছর বাঁধের মধ্যবর্তী ২০০ মিটার স্থান প্রকল্প থেকে বাদ পড়েছে। ওই অংশ ছাড়া অন্যান্য স্থানে মাটি ফেলা হয়েছে। শুধু মধ্যবর্তী ওই স্থানেই নতুন করে কোনো মাটি পড়েনি। অথচ এ হাওরে উপজেলার সরস্বতীপুর, সাদীপুর, তেলিগাঁও, কাহালা, বিশারা, দরাপপুর, নোয়াগাঁও ও দুগনই গ্রামে প্রায় আড়াই একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। কিন্তু ওই ২০০ মিটারে কাজ না হওয়ার বিষয়টি হতাশাজনক। কয়েকজনের গাফিলতির কারণে হাওরের ফসল ডুবে গেলে অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এখনো বাঁধের একাংশে কাজ শুরু না হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদাসীনতা ছাড়া আর কিছুই নয়। দ্রুত ওই অংশে মাটি ফেলা না হলে আগাম বন্যায় ফসলডুবির আশঙ্কা রয়েছে। যদি সে ধরনের কোনো বিপর্যয় তৈরি হয়, তাহলে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে না পারা বা কাজের এ ঢিলেমির দায় কে নেবে, সেটি একটি বড় প্রশ্ন।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন