বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০০৯ সালের মে মাসে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। দীর্ঘদিন বাক্সবন্দী থাকার পর ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে লোক নিয়োগ হলে মেশিনটি চালু করা হয়। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে মেশিনটি বিকল হয়। পরে স্বাস্থ্য বিভাগের ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ) মেশিনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। ২০২০ সালের আগস্টে হাসপাতালটির জন্য নতুন একটি অ্যানালগ এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ত্রুটি থাকার কারণে সেটি চালু করা যায়নি।

বারহাট্টা উপজেলায় ১ লাখ ৮৫ হাজারের মতো লোকের বসবাস। এক্স-রে মেশিনটি বিকল থাকায় সেবাবঞ্চিত হচ্ছে তারা। সরকারি হাসপাতালে ডিজিটাল মেশিনে এক্স-রে করাতে প্রতি প্রিন্ট ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়। বেসরকারি ক্লিনিকে এ খরচ ৪৮০ টাকার মতো। আবার জেলা সদরে আসা-যাওয়ার ভাড়া সব মিলে খরচ পড়ে যায় হাজার টাকা।

বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে মেশিনসংক্রান্ত জটিলতা অন্তত এক যুগের। মাঝে দুই বছরের মতো সেটা সচল ছিল। বছরের পর বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এক্স-রে মেশিন কেন বিকল হয়ে পড়ে থাকে, সেটা অবশ্য রহস্যজনক একটা ঘটনা। জনগণকে সেবাবঞ্চিত রাখা হচ্ছে, কিন্তু এর জবাবদিহি কে করবে? উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ এক্স-রে মেশিনের ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগকে জানিয়েছে। এখন তারা পৌনে দুই লাখ মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন