বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানায়, উচাখিলা ইউনিয়নের হাটভোলসোমা গ্রামের লোকজন বিদ্যুৎ–সংযোগের জন্য ২০১৯ সালে আবেদন করেন। সরকার নির্ধারিত আবেদন ফিও জমা দেন তাঁরা। পরের বছর ২৩ জুলাই বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন স্থাপনের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তাঁরা আবেদনকারী ১৬টি পরিবারকে বিদ্যুৎ-সংযোগ প্রদানের জন্য সুপারিশ করেন। এরপর এক ঠিকাদার গ্রামে খুঁটি পোঁতার কাজ শুরু করেন।

তিন থেকে চার মাসের মধ্যে গ্রামের আটটি পরিবার বিদ্যুৎ-সংযোগ পেয়ে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি প্রকল্পের কাজে বাধা দেন। এতে বিদ্যুৎ দেওয়ার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পুলিশ পাহারায় আবার কাজ শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন ঠিকাদার। এ জন্য তিনি সংযোগ না পাওয়া আট পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেন। পুলিশকে ঘুষ দিতে হবে বলে এ টাকা নেওয়া হয়। এরপরও আজ পর্যন্ত বিদ্যুৎ-সুবিধা পায়নি পরিবারগুলো। তাদের অন্ধকারে রেখেই গোটা কাজ শেষ হয়েছে বলে গত বছর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঈশ্বরগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সোহেল রানা বলেন, বিদ্যুৎ-সংযোগ না পাওয়ার বিষয়ে তাঁর কাছে কেউ অভিযোগ জানাননি। তিনি ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে বিষয়টির তদন্ত করবেন। কেউ বাধা দিয়ে থাকলে গ্রামের লোকজনকে বুঝিয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে। আশা করি তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন। সেই সঙ্গে বাড়তি টাকা নেওয়ায় সেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন