বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্যানে বার্ষিক ধারণক্ষমতা যেখানে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার, সেখানে প্রায় দুই লাখ লোক বেড়াতে যান। লাউয়াছড়া বনের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে এর আশপাশে ৬৫টি হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট তৈরি হয়েছে। বন বিভাগের অব্যবস্থাপনার সুযোগে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আর ধ্বংস হচ্ছে উদ্যান। পর্যটকের সংখ্যা সীমিত রাখতে উদ্যানে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনলাইনভিত্তিক নিবন্ধনের বিকল্প নেই। সেটি করলে উদ্যান ইজারা দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। সেন্ট মার্টিন নিয়ে উদ্বেগ থেকে সেখানেও পর্যটকের নির্দিষ্ট সংখ্যা বেঁধে দিতে অ্যাপভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা ঠিকঠাক বাস্তবায়িত না হওয়ায় সেন্ট মার্টিনে পর্যটকের অতিরিক্ত চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। লাউয়াছড়ার ক্ষেত্রে বন বিভাগকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

এমন পদক্ষেপ নিলে উদ্যান ইজারা দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। সে ক্ষেত্রে পর্যটকের প্রবেশমূল্য ও সরকারি বরাদ্দ যুক্ত করে উদ্যানের পরিবেশ সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি তহবিল গঠনের পক্ষেও মত দিয়েছেন পরিবেশবিদেরা। এখন বন বিভাগ কি এসব পরামর্শ আমলে নেবে? তারা নিজেরাই বলছে অতিরিক্ত পর্যটক যাওয়ায় লাউয়াছড়া বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের, হুমকির মুখে পড়ছে জীববৈচিত্র্য। এখন কি তারা উত্তরণের কোনো পদক্ষেপ নেবে? এর আগে আমরা ভাওয়াল বন হারিয়েছি, লাউয়াছড়াকে হারাতে চাই না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন