বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা গেছে, জরাজীর্ণ এ ভবনের তিনটি কক্ষে পৌরসভার কাজ চলছে। এখানে সেবাপ্রার্থীদের বসার ভালো ব্যবস্থা নেই। ভবনের ছাদে বিভিন্ন স্থান থেকে পলেস্তারা খুলে পড়েছে। সামনের অংশে রড বের হয়ে গেছে। পিলারে ফাটল ধরেছে। ঝুঁকি মাথায় নিয়েই কাজ করছেন মেয়রসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ৭ দশমিক ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে নগরকান্দা উপজেলার নগরকান্দা ইউনিয়ন এবং লস্করদিয়া ইউনিয়নের অনেকাংশ ভেঙে নগরকান্দা পৌরসভা গঠন করা হয়। প্রায় ২৬ হাজার পৌরবাসী–অধ্যুষিত নগরকান্দা পৌর এলাকায় উন্নয়নের তেমন ছোঁয়াই লাগেনি। পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত মধ্যজগদিয়া মহল্লায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

তৃতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নগরকান্দা পৌরসভায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু সেখানে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬ জন স্থায়ী এবং ১০ জন অস্থায়ী কর্মচারী। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর অনেক বছর পার হয়েছে, কয়েক মেয়াদে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু পৌরসভার বাসিন্দারা তেমন সুবিধা পাননি। ২১ বছর পর পৌর সুবিধার মধ্যে সড়কবাতি আর সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের কাজ চলছে। ভারপ্রাপ্ত মেয়র বলেছেন, পৌরসভার ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা হয়েছে।

এ কথা ভাবার কারণ নেই যে নগরকান্দা পৌরসভাটিই আর্থিকভাবে দুরবস্থার মধ্যে আছে। দু-একটা ব্যতিক্রম বাদে উপজেলা পর্যায়ের সব পৌরসভা একই সমস্যার মুখোমুখি। অনেক পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতাও দিতে পারে না। কারণ, এসব পৌরসভার আয় কম, উন্নয়ন বাজেটও অল্প।

এভাবে স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সরকার যদি সত্যি সত্যি স্থানীয় শাসনকে জোরদার করতে চায়, তাহলে পৌরসভাসহ সব স্থানীয় সরকার সংস্থার জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সবকিছু কেন্দ্রীভূত করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন