বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছানোয়ারের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আশপাশের আরও কয়েকজন কফি চাষ শুরু করেছেন। এ ছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলায় চাষিদের মধ্যে বীজ সরবরাহ করে এ বছর কফি বাগান সৃজন শুরু করেছে। কফি অন্যান্য বনজ উদ্ভিদের সঙ্গে একসঙ্গে বেড়ে উঠতে পারে। সঠিক সময়ে সেচ ও পরিচর্যা করা হলে উৎপাদন অনেক গুণ বাড়ে।

অপ্রচলিত হলেও কফি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল। ব্যাপকভাবে কফির বাণিজ্যিক চাষ সম্ভব হলে বাংলাদেশের জন্য সেটা রপ্তানি আয়ের বড় উৎস হতে পারে। কিন্তু কফি চাষ পদ্ধতি নিয়ে এখনো কৃষকদের মধ্যে তেমন কোনো ধারণা নেই। সনাতন পদ্ধতিতে চাষ হলে বাণিজ্যিক সফলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে আধুনিক পদ্ধতিতে কফি চাষের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযোগী টেকসই জাত উদ্ভাবনও এ ক্ষেত্রে জরুরি।

কফির প্রক্রিয়াজাতকরণের সফলতার ওপরই এর বাণিজ্যিক সফলতা নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে কম খরচে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ কৃষকদের দিতে হবে। শুধু উৎপাদন হলেই হবে না, কফির বাজারজাতকরণেরও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। কফির চাষ উপযোগী জমি নির্বাচন, লাগসই বীজ উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তির চাষাবাদের প্রশিক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রযুক্তির ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ—সব ক্ষেত্রেই কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন