বিজ্ঞাপন

গত ফেব্রুয়ারিতেও নদী ভরাট করে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো। এরপর সে মাসেই কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে; যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। স্যাটেলাইট ইমেজেও দেখা যায়, ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৮ সালে ওই জায়গায় নদীর পানি ছিল এবং নিয়মিত প্লাবিত হতো। ২০২১ সালে এসে দেখা গেছে, সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। এমনকি পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই সেই জায়গা ভরাট করেছে এপিএসসিএল। কমিশন, পাউবো, পরিবেশ ও বিআইডব্লিউটিএরও কোনো অনুমতি নেয়নি তারা। কমিশন পরিদর্শনে গিয়ে যে জায়গা খালি দেখতে পায়, সেটিও পরে ভরাট করে ফেলা হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে আশুগঞ্জ নদীবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমন পাঁচ শ পরিবারের একটি গ্রামকেও রক্ষা করা যাবে না। এত সব অনিয়মের মধ্যে কীভাবে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠছে, সেটিই এখন প্রশ্ন। কেন এপিএসসিএলকে থামানো যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসক বলেছেন, এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু সেটা কখন করা হবে? কালক্ষেপণ করে কেন এপিএসসিএলকে নদী দখলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন