বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক বলেন, সরকারের বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রীসহ অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সরঞ্জাম ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে প্রায়ই নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। মূলত জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই ইউপি চেয়ারম্যানদের নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ প্রকল্প। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে হয় বলে অভিযোগ আছে। যার জন্য চেয়ারম্যানদের অপ্রদর্শিত টাকা ব্যয় করতে হয়। শতভাগ স্বচ্ছতার মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কাজ করতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ তাঁদের জন্য সহায়ক হবে।

রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের জন্য জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। ফলে নির্বাচনের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করতে বিপুল অর্থ খরচের অভিযোগও আমরা পাই। সরকারি অনেক কর্মকর্তাও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এ জন্য শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সব জনপ্রতিনিধি ও সরকারের কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। যশোরে এ উদ্যোগ গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন