বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ উঠেছে, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেমের ছোট ভাই ইসমাইল ব্যাপারী নদীর উৎসমুখ ভরাট করেছেন। আর তাঁর চাচাতো ভাই শাহাদাত ব্যাপারী ও তাঁর অনুসারীরা নদীর দুই পাশ দখল করে চলেছেন। নিজেদের অপরাধের সাফাই গাইতে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর ভাইয়েরা রজতরেখার দখলকৃত অংশকে নিজেদের ‘রেকর্ডীয় সম্পদ’ বলে দাবি করেছেন।

নদীর বাঁচা-মরার ওপর বাংলাদেশের অস্তিত্ব জড়িত উল্লেখ করে ২০১৯ সালে উচ্চ আদালত নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা দেন। দেশের সব নদ-নদীর দূষণ ও দখলমুক্ত করে সুরক্ষা, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের নিমিত্তে ‘নদী রক্ষা কমিশন’ আইনগত অভিভাবক ঘোষণা করা হয়। নদ-নদীসংশ্লিষ্ট সব সংস্থা অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় এ কাজে কমিশনকে সহযোগিতা করবে। নদী রক্ষায় এ রায় নিঃসন্দেহে যুগান্তকারী। প্রশ্ন হলো, এ রায়ের পরও রজতরেখার উৎসমুখ ভরাট ও দখলের মতো ঘটনা কী করে ঘটে?

পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, নদীটির দখলকৃত অংশ যদি উচ্ছেদ করা না হয়, তাহলে নদীর প্রবাহ কমে গিয়ে দখলের পরিমাণ দিন দিন আরও বাড়বে। মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, যারা নদী দখল ও মাটি বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে নদী ও খালের প্রবাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন