বিজ্ঞাপন

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের সৈয়দপুরের শতবর্ষী খেলার মাঠ সেই ‘নাই হওয়ার’ ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। ৭৫ শতক জায়গা নিয়ে এই খেলার মাঠ। এই মাঠে প্রতিবছর ফুটবল, ক্রিকেট ও হাডুডু খেলা হয়। সেই মাঠে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। আশার কথা, এলাকাবাসী এই ক্রীড়াঘাতী সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়নি। তারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে এবং মাঠে ফুটবল খেলে ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছে।

এ কথা ঠিক, ভূমিহীন ও সহায়–সম্বলহীন মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করা অতীব জরুরি। যেসব খাসজমি অনাবাদি হিসেবে পড়ে আছে, সেখানে তাদের পুনর্বাসন করা যেতে পারে। সেখানে গুচ্ছগ্রাম হতে পারে। কিন্তু শতবর্ষের পুরোনো একটি মাঠকে নিশ্চিহ্ন করে এলাকার সর্বস্তরের শিশু-কিশোর-তরুণদের খেলা ভন্ডুল করে সেখানে এ ধরনের স্থাপনা তোলা বিধেয় হবে না। প্রশাসনের দিক থেকে বলা হয়েছে, মাঠটিতে বছরের একটা সময় খেলা হয়। বাকি সময় সেখানে জলাবদ্ধতা থাকে বলে তারা এমন উদ্যোগ নিতে চেয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে মাঠে পর্যাপ্ত মাটি ফেলে সেটিকে সারা বছরের জন্য খেলার উপযোগী করে তোলা হোক। গুচ্ছগ্রামও হোক, মাঠও থাকুক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন