বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হবিবপুর ইউপির চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই জানি না। এবার গোপনে কমিটি হয়েছে। এতে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। বাঁধের কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, এ জন্য আমরা বিষয়টির তদন্ত ও কমিটিগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছি।’ যদিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দাবি, পিআইসি গঠনে কোনো অনিয়ম হয়নি। তিনি হাওরে হাওরে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলে কমিটি করেছেন। চেয়ারম্যানদের আবদার না রাখায় তাঁরা এ অভিযোগ করছেন।

পছন্দের ব্যক্তিদের দিয়ে পিআইসি গঠন ও এর মাধ্যমে বরাদ্দ নয়ছয়ের প্রচেষ্টার অভিযোগ নতুন নয়। এ জন্য গণশুনানির মাধ্যমে পিআইসি গঠনের দাবি করে থাকেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। অল্প কিছু ক্ষেত্রে সেটি করা হলেও অধিকাংশের ক্ষেত্রে উপজেলা কমিটিই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। ফলে এতে অনিয়মের সুযোগ থেকে যায়। তবে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, চেয়ারম্যানদের অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা তাঁর কথায় আস্থা রাখতে চাই। পিআইসি নিয়ে আমরা কোনো অনিয়ম চাই না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন