বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অমিক্রনের সংক্রমণে অনেক দেশ বড়দিনের উৎসবে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তবু গির্জায় গির্জায় বেজে উঠবে ঘণ্টাধ্বনি, সমবেত সংগীত ও প্রার্থনার সুললিত সুর। সীমিত পরিসরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছড়িয়ে পড়বে আনন্দ ও খুশি। বাহারি আলোকসজ্জা ও ক্রিসমাস ট্রিতে আলোকিত হবে ঘরবাড়ি। রাতের অন্ধকারে শিশুদের জন্য ঘরের দরজার সামনে উপহার রেখে যাবেন সান্তা ক্লজ। যাবতীয় বিদ্বেষ, হানাহানি, অশান্তি, সর্বোপরি মহামারি থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রার্থনায় নত হবে মানুষ। যিশু তো এসেছিলেন পরিত্রাণের দূত হয়েই।

যিশু যে মানবিক আদর্শের বাণী প্রচার করেছেন, জাতিধর্ম–নির্বিশেষে সবার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। মানবতার সংকটপূর্ণ মুহূর্তে তা যেন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। করোনার ধাক্কায় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। খাদ্যসংকটে ভুগছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। দুর্ভিক্ষের বিষয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যিশুর সহমর্মিতা, সহিষ্ণুতা ও ভালোবাসার শিক্ষা হোক সবার জন্য পাথেয়। পৃথিবীর বুকে আবার স্বস্তি ফিরে আসুক। যাবতীয় অশান্তি, যাতনা ও হাহাকার থেকে মুক্তি পাক মানুষ। এই বড়দিনে এটিই প্রত্যাশা। সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন