বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনা চত্বর থেকে শুরু হওয়া স্টেশন সড়কের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। চৌমুহনা থেকে বধ্যভূমি একাত্তর সড়কে জায়গায় জায়গায় খানাখন্দ। শীতকালেও ধুলার আস্তরণ। মূল শহর কিংবা এর বাইরের সড়কের অবস্থা কোথাও ভালো নয়। গাড়ির চাকা কিছুক্ষণ পরপর গর্তে পড়ে যায়। চালকেরা খারাপ রাস্তার কথা বলে পর্যটকদের কাছে ভাড়াও বেশি চান। আর যেখানে গাড়ি বেশি, সেখানে চারদিকে ধুলা। শহরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেহাল সড়কগুলোর জন্য পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা লোকসানের মুখে পড়েছে। হোটেল-রিসোর্ট মালিকেরা ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়েও কোনো ধরনের নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না তাঁরা।

পর্যটন নগরীটির পরে পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ উপজেলার রাধানগর এলাকা। এখানে প্রায় তিন ডজন ছোট-বড় হোটেল ও রিসোর্ট আছে। সেখানকার মহাজিরাবাদ পর্যন্ত পুরো সড়কটি ভাঙাচোরা। রামনগর মণিপুরিপাড়াও পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। মণিপুরিদের তাঁতের কাপড় কিনতে পর্যটকেরা এখানে আসেন। কালীঘাট সেতুর সামনে থেকে মণিপুরিপাড়া পর্যন্ত সড়ক খানাখন্দে ভরা। এ ছাড়া শহরের ভানুগাছ সড়ক, স্টেশন সড়ক, সাতগাঁও কালীবাড়ি সড়ক, সিন্দুরখান সড়কও বেহাল। এসব সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন।

উপজেলা প্রকৌশলী জানাচ্ছেন, রাধানগরের সড়কের কাজ করার জন্য তাঁরা অনুমতি চেয়ে গত বছর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। সেখান থেকে বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ভাঙাচোরা সড়কগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভানুগাছ-শ্রীমঙ্গল সড়কে কাজ শুরু হয়েছে। রাধানগর থেকে জেরিন যাওয়ার সড়কটির কাজও হাতে নিয়েছে প্রশাসন। তবে তাঁদের এমন বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না স্থানীয় লোকজন। দ্রুত সড়কগুলো সংস্কার করে পর্যটন নগরীটির পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন