বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গত রোববার বিদ্যালয়ের পাশেই প্রয়াত প্রফুল্ল কুমার গুহের দুই ছেলে অনুপ কুমার গুহ ও পল্লব কুমার গুহের নামে রেকর্ড থাকা কোটি টাকা মূল্যের জমিটি দখলে নেওয়া হয়। এ সময় জমি দখলে নিতে বাধা দেন অনুপ কুমার গুহ। কিন্তু সাংসদ শাহে আলম তাঁকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্যমতে, বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে পৈতৃকসূত্রে তাঁদের দুই ভাইয়ের ১৩ শতাংশ জমি ছিল। সেখান থেকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন করার জন্য তাদের সম্মতিতে ৮ শতাংশ জমি সরকার অধিগ্রহণ করে। বাকি ৫ শতাংশ জমিতে একটি পুরোনো ভবনে শিশুদের একটি কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় ছিল। সামনে টিনের বেড়া দিয়ে আটকানো এবং মালিকানাসংক্রান্ত সাইনবোর্ডও ছিল। সেই বেড়া ভেঙে ফেলে বালিকা বিদ্যালয়ের জমির ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়ে নতুন টিনের বেড়া দিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি ওই জমিতে থাকা কিন্ডারগার্টেনের ভবনটিও ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

অন্যদিকে সাংসদ শাহে আলমের দাবি, ‘এ জমি ইউনিয়ন পরিষদের। অনুপের বাবা ভুয়া ডিক্রি করে ওই জমি তাঁর নামে নিয়ে যান। জমিটির সঙ্গে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জড়িত। তাই শিক্ষক, অভিভাবক সবাই চান জমিটা বিদ্যালয়ের নামে থাকুক। জমির প্রকৃত মালিক তাঁরা হলে অবশ্যই জমির বাজারমূল্য অনুযায়ী বিদ্যালয় থেকে মূল্য দেওয়া হবে।’ তবে স্থানীয় সুধীজনেরা বলছেন, ক্ষমতাবলে সাংসদ এখানে দখলবাজি চালিয়েছেন। সেটি যদি ইউনিয়ন পরিষদের জমিও হয়, এভাবে দখলবাজি ফৌজদারি অপরাধ। একজন সাংসদের এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন