বিজ্ঞাপন
কোনো সমন্বয় ছাড়া সরকারের দপ্তরগুলো একের পর এক সেতু-কালভার্ট বানিয়ে গেল। যার খেসারত দিতে হচ্ছে এখন। কোনো ধরনের যাচাই–বাছাই করা ছাড়াই এভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন একধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

ভৈরব নদের ওপর বিভিন্ন সময় সাড়ে ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে আরও তিনটি অপরিকল্পিত সেতু নির্মাণ করেছে সওজ। এমন আরও ৪৭টি অপরিকল্পিত সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করেছে সরকারের ছয়টি দপ্তর। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ২৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ভৈরব রিভার বেসিন এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের কাজ চলছে। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ। তবে সেতুগুলো অপসারণ না করলে নদ খননের সফলতা আসবে না বলে সেতুসংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি দিয়েছে পাউবো। যাতে বলা হয়, ভৈরব নদের খননকাজ সম্পন্ন করলেও নাতিদীর্ঘ এসব সেতুর কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন ব্যাহত হবে।

কোনো সমন্বয় ছাড়া সরকারের দপ্তরগুলো একের পর এক সেতু-কালভার্ট বানিয়ে গেল। যার খেসারত দিতে হচ্ছে এখন। কোনো ধরনের যাচাই–বাছাই করা ছাড়াই এভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন একধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। আমরাও এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। একটি দেশের উন্নয়নের জন্য এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কী হতে পারে। অপরিকল্পিত উন্নয়ন থেকে ভৈরব নদকে রেহাই দেওয়া হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন