>করোনা মোকাবিলায় লক্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছে কোরিয়া প্রজাতন্ত্র (দক্ষিণ কোরিয়া)। যদিও দেশটিতে এ পর্যন্ত ১৯২ জনের মৃত্যু এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। প্রথম আলোকে দেওয়া এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হ কাং-ইল তাঁর দেশের নেওয়া নানা কৌশল ও অভিজ্ঞতা তুলে দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
default-image

প্রথম আলো: দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাসের মহামারি নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি কী?

হ কাং-ইল: কোভিড-১৯ মহামারিটি এখন পর্যন্ত দেশের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে এবং একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ফেব্রুয়ারি ও মার্চের গোড়ার দিকে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে থাকা ব্যক্তিদের ব্যাপকভাবে পরীক্ষা এবং আইসোলেট (বিচ্ছিন্ন) করেছে। কিছু সময় ধরে প্রতিদিনই কয়েক শ নতুন কেস চিহ্নিত হয়। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে সর্বাত্মক পরীক্ষা ও যেভাবে সম্ভব সংক্রমিত লোকজনকে খুঁজে বের করার কৌশল নেওয়া হয় এবং এ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেই অধিকতর সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিহত করা সম্ভব হয়। পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল রয়েছে। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি এক দিনে সর্বোচ্চ ৯০৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে ক্রমান্বয়ে অবস্থার উন্নতি ঘটে। গত ১৫ মার্চ প্রথমবারের মতো এক দিনে শনাক্তের সংখ্যা ১০০তে নেমে এসেছিল। সেই থেকে প্রতিদিন শনাক্তের সংখ্যা ওই ১০০ ঘিরেই ওঠানামা করছে। গত ২৮ মার্চ পুরোপুরি ভালো হয়ে বাড়িতে ফিরে যাওয়া রোগীর সংখ্যা বর্তমানে যারা চিকিৎসাধীন, তাদের মোট সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। উল্লিখিত উৎসাহজনক প্রবণতা সত্ত্বেও আমরা অব্যাহতভাবে সচেতন থাকছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও রোগের প্রকোপ বহাল রয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বিদেশ ভ্রমণকারীদের মধ্যেও কোভিড-১৯ সংক্রমণের বৃদ্ধি ঘটেছে।

প্রথম আলো: কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আপনাদের বিশেষজ্ঞরা কীভাবে তৈরি করেছিলেন ‘কোরীয় মডেল’? এটি কি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ফল ছিল?

হ কাং-ইল: কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপকভিত্তিক ও নিবিড় পরীক্ষাই আমাদের কৌশলের মূলমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। প্রতিদিন অনধিক ২০ হাজারটি পর্যন্ত পরীক্ষা করার ক্ষমতা আছে আমাদের। আমরা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষা করেছি। এই পুরো প্রক্রিয়ায় কোরিয়া সরকার ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে খুব নিবিড়ভাবে কাজ করে চলছে। বায়োটেক কোম্পানিগুলো ফাস্ট ট্রাক টেস্ট কিট তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তারা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের মান বজায় রেখেছে। সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর হাতে তারা দ্রুততার সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর করেছে এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর দক্ষ নেটওয়ার্কিং কোরিয়ার ক্ষয়ক্ষতি সাফল্যের সঙ্গে কমাতে এবং সীমাবদ্ধ করতে অবদান রেখেছে। বর্তমানে সারা দেশে ১১৮টি স্থানে টেস্ট করার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে কোরিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, ৪টি ন্যাশনাল কোয়ারেন্টিইন স্টেশন, ১৮টি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ৯৫টি বেসরকারি মেডিকেল ল্যাবরেটরি ও হাসপাতাল রয়েছে।

প্রথম আলো: আপনাদের প্রথম সংক্রমিত ধর্মীয় গোষ্ঠীর ভেতরে রোগ শনাক্তের অভিজ্ঞতা কী ছিল?

হ কাং-ইল: কোরিয়ায় কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব ঘটে ফেব্রুয়ারির গোড়ায়। এটি দাগুতে অবস্থিত শিনচাজি গির্জার সদস্যদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই গির্জার প্রায় ৯ হাজার ৩০০ সদস্যকে সেলফ কোয়ারেন্টিনে রেখে পরীক্ষা করা হয়েছে। সারা দেশে ওই গির্জার আড়াই লাখের বেশি অনুসারীদের খুঁজে বের করা হয়। তাদের মধ্যে যখনই যার লক্ষণ প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়, তখনই তাকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে এবং তার পরীক্ষা করা হয়। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট করোনা শনাক্ত হওয়া লোকজনের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ ওই গির্জার সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের ৮২ শতাংশই উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের দায়েগুর বাসিন্দা।

প্রথম আলো: করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ ‘ছুটি’ আরও বাড়িয়েছে। আপনাদের উদ্ভাবনী পদক্ষেপগুলো কী ছিল? আপনাদের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের জন্য আপনার কি কোনো পরামর্শ রয়েছে?

হ কাং-ইল: কোরিয়ার কোভিড-১৯ কৌশলের মধ্যে রয়েছে দ্রুতগতিতে রোগী শনাক্তকরণ। আক্রান্ত ব্যক্তিদের যত দূর সম্ভব প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসা দেওয়া। একই সঙ্গে জনগণকে সামাজিক দূরত্ব এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কোরীয়দের নেওয়া উদ্ভাবনী পদক্ষেপের মধ্যে কোরীয় মেডিকেল কমিউনিটির একটি পদক্ষেপ হলো ‘ড্রাইভ থ্রু টেস্টিং স্টেশন’। এর আওতায় গাড়িচালকদের পরীক্ষা করা হয়। এ সময় তাঁদেরকে গাড়ি থেকে নামতে দেওয়া হয় না। তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১০ মিনিটের কম সময়ে। এমন পদক্ষেপ ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মীদের সরাসরি করোনা জীবাণুর সামনে ‘এক্সপোজড’ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়েছে। মার্চের শেষ সপ্তাহান্তে সারা দেশে এ রকম টেস্টিং স্টেশন ৭৯ টিতে উন্নীত হয়েছে। এটা উৎসাহব্যঞ্জক যে বাংলাদেশ সরকার এই অপ্রতিরোধ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার সব সম্পদ ব্যবহারে উদ্যোগী হয়েছে। গত সপ্তাহান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১-দফার বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, এই জীবাণুর আরও বিস্তার ঠেকাতে যার যেটুকু করণীয়, সেটা সম্পন্ন করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অন্যতম লক্ষ্য থাকবে শাটডাউনের কারণে স্থানীয় অর্থনীতি এবং মানুষের কল্যাণে যতটা ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে, তার প্রকোপ কমানো।

প্রথম আলো: চীন বলেছে কোভিড-১৯-এর মতো মহামারি রোধে তাদের একটি মডেল আছে। আপনারা কী কৌশলে দ্রুত প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছালেন?

হ কাং-ইল: কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সেন্ট্রাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি। এতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ছাড়াও ১৭টি প্রদেশ এবং উল্লেখযোগ্য সব নগর কর্তৃপক্ষকে যুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের কাছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কোনো বার্তা পৌঁছাতে এবং যার দরকার তার কাছে উপযুক্ত সম্পদের জোগান দিতে এই কমিটি ব্যবস্থা মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

প্রথম আলো: অন্যান্য দেশ যাতে স্বল্পমূল্যে কিট তৈরি করতে পারে, সে জন্য আপনারা প্রযুক্তি স্থানান্তরে কী নীতি নিয়েছেন?

হ কাং-ইল: অভ্যন্তরীণভাবে মহামারি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি কোরীয় সরকার সুচিন্তিতভাবে বিভিন্ন অংশীদার দেশের তরফে কিট, পিপিই ও আর্থিক সহায়তা বিষয়ে বিবিধ অনুরোধ পর্যালোচনা করে দেখছে। আমরা আমাদের কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে চাই। কারণ করোনাবিরোধী লড়াইয়ে আমাদের গন্তব্য অভিন্ন।

প্রথম আলো: আপনাদের কি শতভাগ করোনা রোগসংক্রান্ত ল্যাব ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে? ল্যাব চালাতে কত লোককে প্রশিক্ষণ দিতে হয়েছে? সব পরীক্ষাই কি আপনারা নেগেটিভ প্রেশার কক্ষে করেছেন?

হ কাং-ইল: নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে কোভিড-১৯ থেকে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের মধ্যে আন্ত-সংক্রমণ প্রতিরোধ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এ কারণে গোটা দেশের সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আলাদা ও দূরত্ব বজায় রাখতে ‘স্ক্রিনিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করেছি। কেবল নিশ্চিত হওয়া রোগী কিংবা লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া রোগীদের এই স্ক্রিনিং সেন্টারেই সেবাদান চলছে। সারা দেশে এ রকম ৬৩৫টি স্ক্রিনিং সেন্টার কাজ করছে। উপরন্তু, আমরা শুধু করোনা রোগীর জন্যই ৬৭টি ‘ইনফেকশাস ডিজিজ হাসপাতাল’ নির্দিষ্ট করেছি। এবং এসব হাসপাতালের পুরোনো রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছি। এ জন্য আমরা একটি ‘পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ গড়ে তুলেছি। মেডিকেল পেশাজীবীরা এর আওতায় করোনা রোগীদের চারটি ভাগে ভাগ করেছেন—স্বল্প, মাঝারি, গুরুতর এবং অত্যন্ত গুরুতর। রোগীদের মধ্যে যাদের কম লক্ষণ, তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট করা করপোরেট এবং পাবলিক ট্রেনিং কেন্দ্রগুলোতে। স্বাস্থ্যকর্মীরা দিনে অন্তত দুবার ওই রোগীদের তদারকি করেন। সারা দেশে এ রকম ‘মাইল্ড কেস ট্রিটমেন্ট সেন্টার’ আছে ১৩৯টি। এতে ১৪ হাজার ৫০৩টি কক্ষ রয়েছে।

প্রথম আলো: আপনাদের নাগরিক সমাজ ও সংবাদমাধ্যম আপনার সরকারের নেওয়া ‘উন্মুক্ততা ও স্বচ্ছতা’ নীতিকে কীভাবে দেখছে?

হ কাং-ইল: কোভিড-১৯ সংক্রান্ত অগ্রগতি ও সরকারি নীতিবিষয়ক তথ্য অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে তাৎক্ষণিক ও স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকাশে আমরা সম্পূর্ণ সংকল্পবদ্ধ। প্রথম দিন থেকেই কোরীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ দিনে দুবার প্রেস ব্রিফিং করে আসছে। এই ব্রিফিং অনলাইনে লাইভ সম্প্রচার হয়। আবার ইংরেজিতে তার অনুবাদ আন্তর্জাতিক দর্শক শ্রোতাদের জন্য করা হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের উন্মুক্ত ও স্বচ্ছতার নীতি জনগণের বৈধ উদ্বেগ প্রশমন করে। ভুয়া গুজবের কবল থেকে বাঁচাতেও তা সহায়ক।

প্রথম আলো: করোনা তথ্যের বিষয়ে বাংলাদেশ ও কোরিয়া কীভাবে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা করছে? বাংলাদেশ কি নির্দিষ্ট কিট বা অন্য সামগ্রীর বিষয়ে কোরিয়াকে কোনো অনুরোধ করেছে?

হ কাং-ইল: উভয় দেশই করোনা সংকটের গোড়া থেকেই তাদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, অভিবাসন ও বিমান চলাচল নীতি এবং যৌথভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে যোগাযোগ বজায় রাখছে। কোরিয়া বাংলাদেশসহ তার অংশীদারদের সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা সক্রিয়ভাবে ভাগাভাগি করছে। আমি আগেই যেমনটা বলেছি, একই সঙ্গে, সম্ভাব্য একটি ব্যাপকভিত্তিক প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সাহায্য করার কার্যকর উপায় খুঁজে চলছে কোরিয়া।

প্রথম আলো: বাংলাদেশে কোরিয়ার কত নাগরিক আটকা পড়েছেন এবং তাঁদের ফেরত পাঠানোর দরকার পড়েছে?

হ কাং-ইল: বাংলাদেশে কোরিয়ার প্রায় ১ হাজার নাগরিক বাস করেন। স্বাগতিক দেশের অগ্রগতি আমরা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। কিন্তু বর্তমানে কোরিয়ার কোনো নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো আদেশ নেই। ঢাকার কোরীয় দূতাবাস আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশের কোরীয় সমিতি এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে।

প্রথম আলো: বাংলাদেশে কোরীয় কোম্পানির ওপর করোনার প্রভাব কী? বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে তারা কী ধরনের সহায়তা আশা করে?

হ কাং-ইল: সাময়িকভাবে সব বেসরকারি কোম্পানি বন্ধের বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে অধিকাংশ কোরীয় কোম্পানি বন্ধ রাখা হয়েছে। এগুলোর অনেকটাই তৈরি পোশাক খাতের। সরকারি ছুটি প্রলম্বিত হলো। আর সময়টাও অর্থনৈতিক নিম্নগতির। তাই বেশির ভাগ স্থানীয় কোম্পানির মতোই এখানকার কোরীয় কোম্পানিগুলোও তারল্য সংকটের ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রসঙ্গক্রমে, এটা উল্লেখ করার বিষয়, নিম্ন সুদের ঋণের মতো কর রেয়াত এবং আর্থিক সুবিধার প্যাকেজের আওতায় যাতে কোরীয় কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত হয় এবং যাতে তারা ব্যবসায় টিকে থাকে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা অব্যাহত রাখতে পারে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন