সরকার ২০০৪ সাল থেকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান, স্বশাসিত সংস্থা, সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা–কর্মচারী ও পারিবারিক পেনশনভোগী ব্যক্তিদের উৎসব ভাতা দেওয়া শুরু করে।
২০০৮ সালের ২৪ জুনের এক পরিপত্রে দুই ঈদে দুটি উৎসব ভাতা চালু করা হয়। প্রথম থেকেই শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীও এ ভাতা পেয়ে থাকেন। জাতীয় পে-স্কেল ২০০৫ ও ২০০৯ ঘোষিত হলে পেনশনভোগী ব্যক্তিরা যথাক্রমে ২৫ ও ৫০ শতাংশ হারে বর্ধিত পেনশন এবং একই হারে উৎসব ভাতা প্রাপ্ত হলেও শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা তাঁদের পেনশন সমর্পণকালীন ধার্য ভাতার হারেই উৎসব ভাতা পেয়ে আসছেন।
সরকার ২০০৮ সালের পরিপত্রে ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ করে, ‘১০০% পেনশন সমর্পণকারীগণ ১০০% পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন প্রাপ্য হতেন, উক্ত পরিমাণ অর্থ দুইবার উৎসব ভাতা হিসেবে প্রাপ্য হবেন।’ এ পরিপত্রের অনুলিপি ৫ নম্বর ক্রমিকে গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ১৩ নম্বর ক্রমিকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বরাবর প্রেরণ করা হয়। কিন্তু উপরিউক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশ পালন করেনি।
এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ওয়াহিদুল ইসলাম
অগ্রণী ব্যাংক, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন
চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন