বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমি মনে করি, পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের দাবি অযৌক্তিক, অমানবিক ও বিদ্বেষপ্রসূত। বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে বললে—
১. বিদ্বেষবশত আরেকটি পদের কর্মকর্তাদের জীবনের চলমানতা রুদ্ধ করে দিতে চান পিটিআই ইন্সট্রাক্টররা। একসময় পিটিআই ইন্সট্রাক্টররা তৃতীয় শ্রেণির ছিলেন, তাই বলে কি তাঁরা প্রথম শ্রেণির হননি? ইউআরসি ইন্সট্রাক্টররা সরকারি প্রজেক্ট থেকে এসেছেন, তাই বলে কি তাঁরা পদোন্নতি পাবেন না?
২. পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের দাবি অযৌক্তিক। কারণ, আগে পিটিআইতে সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদ ছিল একটি, বর্তমানে দুটি। একটি পদের জন্য, সেখানে ৮০ শতাংশ পদ ছিল পদোন্নতিতে, আর ২০ শতাংশ পদ ছিল সরাসরি নিয়োগ। সেই ২০ শতাংশ পদ থেকে ইউআরসি ইন্সট্রাক্টরদের পদোন্নতি দেওয়ার নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁদের কোনো পদ কেড়ে নেওয়া হয়নি। কাজেই পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের দাবি অযৌক্তিক।

৩. পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের দাবি অমানবিক। কারণ, একই সমমানের পদ-পাস এবং একই নিয়ন্ত্রণাধীন কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকরি করে কেউ পদোন্নতি পাবেন আর কেউ পাবেন না, তা তো হতে পারে না। অতএব, পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের দাবি অমানবিকও বটে।

মো. সাইফুল ইসলাম
ইন্সট্রাক্টর (প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা, সপ্তম গ্রেড)
ইউআরসি (উপজেলা রিসোর্স সেন্টার), খানসামা, দিনাজপুর।

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন