বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে মজার ব্যাপার ঘটবে আগামী ১ অক্টোবরে। ওই দিন একই সঙ্গে একই সময়ে পরীক্ষার সময় দিয়ে রেখেছে সিলেট গ্যাস ফিল্ড ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড, সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) পদে ১০ জনের বিপরীতে আবেদনপ্রতি নেওয়া হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর সিলেট গ্যাস ফিল্ডের সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) পদের সংখ্যা ৩০টি, টাকা নিয়েছে ৩০০ করে।

মজার ব্যাপার বলছি এ জন্য যে দুটি প্রতিষ্ঠানই পেট্রোবাংলার অধীন। তারা পরীক্ষার সময় দিয়েছে বেলা তিনটায়। অথচ সকালে একটি ও বিকেলে অন্যটি নেওয়া যেত।
পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষের মধ্যে এমন কেউ কি নেই, যিনি এ বিষয়টি জানেন না? নাকি এটা ইচ্ছা করেই করা হলো পরিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানোর উদ্দেশ্যে? তাহলে সেটা সার্কুলারে উল্লেখ করা হলো না কেন?

বিশ্বের অনেকগুলো দেশে বেকার ভাতা দেওয়া হয় বেকারদের, চাকরিপ্রাপ্তিতে বিভিন্ন সহায়তাও প্রদান করা হয়। আর বাংলাদেশে নিয়োগ পরীক্ষার নামে বেকারদের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে টাকা নেওয়া হয়।

আমরা দেখি এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যারা অনেক পদ ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও অল্পসংখ্যক লোক চেয়ে সার্কুলার দেয়, যাতে করে কিছুদিন পর পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যায়, সেই সঙ্গে আয়টাও ভালো হয়। এ রকম আরও অসংখ্য অন্যায়-অবিচার ও অন্যায্যতা দেখার বা এসব নিয়ে বলার কেউ নেই।

বেকাররা খেয়ে না খেয়ে অনেক কষ্টের জমানো টাকা খরচ করে পরীক্ষা দিতে পারলে সে পরীক্ষাগুলোর টাইম শিডিউল সমন্বয় করতে কী খুব ক্ষতি হয়ে যাবে দেশ বা জাতির অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানের?

এম আর করিম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা।

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন