বিজ্ঞাপন

গবেষকেরা বলছেন, করোনায় বাংলাদেশ উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই আমাদের সচেতন থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই, স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে।

কোরবানি ঈদে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার জন্য পশু কোরবানি করতে হয়। ফলে পশু ক্রয়–বিক্রয় করার জন্য দেশের নানা প্রান্তে হাটবাজার বসে থাকে। মহামারি মোকাবিলায় সারা দেশে প্রায় ১৫ দিন কঠোর বিধিনিষেধ চলমান ছিল, ফলে হাটবাজারসহ সব ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ ছিল।

কিন্তু ঈদ উৎসব উপলক্ষে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক গণপরিবহনসহ সবকিছুই কয়েক দিনের জন্য চালু করা হয়েছে। যানবাহনসহ শপিং মলগুলোতে জনসমাগম দেখা যাচ্ছে।

গণপরিবহনে যাতায়াত, পশু ক্রয়–বিক্রয়, ঈদের নামাজ সবকিছুতেই যেন স্বাস্থ্যবিধি ঠিক থাকে, এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। এমনকি পশু জবাই করার পরে পশুর মলমূত্র, রক্তসহ সব বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলা একান্তই জরুরি।

খেয়াল রাখতে হবে, নিজের একটু অসচেতনতা যেন ভবিষ্যতে ক্ষতির কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রত্যেকের সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা জরুরি। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনকেও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।

মো. তামিম সিফাতুল্লাহ
শিক্ষার্থী, মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা
রাজশাহী সদর

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন