বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা সম্প্রতি সরকারের কাছে পেশ করেছে। এবারের কমিশন গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক সুপারিশ করেছে। কিন্তু উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তাদের জন্য কী সুপারিশ করা হয়েছে, জানা যায়নি।
১৯৯৭ সালের জুন থেকে সরকারি সব উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মচারীদের জন্য এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী নিয়োগ ও সাকল্য বেতনপ্রথা চালু করা হয়েছে। ফলে বর্তমান সরকারি কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক ও সাকল্য বেতন হওয়ার সুবাদে সরকারি রাজস্ব বাজেটভুক্ত কর্মচারীদের মতো তাঁদের কোনো পদোন্নতি, বার্ষিক বর্ধিত বেতন, টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড ইত্যাদি পাওয়ার সুযোগ নেই।
ফলে তাঁরা ভবিষ্যতে আবার একটি সরকারি নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত মাসিক নির্ধারিত হারে একই বেতন পান।
এমতাবস্থায়, ধারাবাহিকভাবে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে সমগ্রেড ও সমপদে চুক্তিভিত্তিক ও সাকল্য বেতনে কর্মরতদের ক্ষেত্রে প্রতিটি জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রাক্কালে প্রতি আট বছরে চাকরির জন্য একটি করে উচ্চতর গ্রেডে (সর্বোচ্চ তিনটি) সাকল্য বেতন নির্ধারণের বিষয় বিবেচনা করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শাহীদুল আযম
সাবেক কর্মকর্তা, বিআরডিবি, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন
চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন