বর্তমানে অনলাইনে টিকিট সেবা চালু থাকলেও দেশের প্রান্তিক মানুষের প্রযুক্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় ই-টিকিট সেবা গ্রহণ করতে পারছে না। তার ওপর আবার অনলাইন সার্ভার ডাউন, অনেক চেষ্টার পরও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হতে হয়। ফলে সরাসরি টিকিট গ্রহণ করতে হচ্ছে। কিন্তু সরাসরি টিকিট গ্রহণে দেখা যায়, কিছু কুচক্রী ব্যবসায়ী সেখানে কালোবাজারি করছে, ন্যায্যমূল্যের চেয়ে অত্যধিক দামে টিকিট বিক্রি করছে তারা। নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থানে পৌঁছানোর তাগিদে অনেকে অধিক দামে টিকিট কিনতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদে বা কোনো উৎসবে এই ঘটনা বেশি ঘটে থাকে৷

এভাবে আর কত দিন চলবে ট্রেনের টিকিট নিয়ে এমন বিড়ম্বনা? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো খুঁজে পাওয়া কঠিন। টিকিট নিয়ে বিড়ম্বনার শেষ নেই। সব সময়ই এমন ঘটনা না ঘটলেও ঈদের সময় এই ঘটনাগুলো সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে। সাধারণ যাত্রীরা এসব হয়রানি থেকে মুক্তি চায়। কোনো কোনো সময় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ টাকা দিয়ে টিকিট ক্রয় করেন। কিন্তু সবার পক্ষে কালোবাজারি থেকে এমন টিকিট কেনা সম্ভব হয় না।

সবশেষে বলতে চাই, ট্রেনের টিকিট বিক্রি হোক সঠিক পন্থায়। আর যারা এই টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। কালোবাজারি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। সাধারণ যাত্রীদেরও কালোবাজারি থেকে টিকিট ক্রয় থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকতে হবে। তাদের ধরতে সহযোগিতা করতে হবে। তাই আসুন কালোবাজারি রোধে সোচ্চার প্রতিবাদ গড়ে তুলি, শান্তি-শৃঙ্খলাপূর্ণ দেশ গড়ি।

রিদুয়ান ইসলাম
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন